ছয় দফা এবং ২৫ মার্চের কালরাত

 

ছয় দফা এবং ২৫ মার্চের কালরাত – Published in Albd Website

 

১৯৬৬ সালের ২৫ জানুয়ারি, পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি, তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও এম মনসুর আলী সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত আরটিসি সম্মেলনে শেখ মুজিব বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন এবং আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ছয় দফা দাবির সমর্থনে আওয়ামী লীগ ১৯৬৬ সালের ৭ জুন পূর্ব পাকিস্তানব্যাপী হরতাল আহ্বান করে। হরতালে পুলিশের গুলিতে মনু মিঞা, আবুল হোসেন, শফিকসহ মোট ১১ জন শহিদ হন। ছয় দফার মধ্যেই স্বাধীনতার মূল বীজ রোপণ করা হয়। ১৯৬৮ সালের ছয় দফা আন্দোলন পর্যায়ক্রমে বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। ১৯৬৮ সালের নভেম্বরে পল্টনের জনসভায় ন্যাপের প্রধান মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে শেখ মুজিবসহ সব রাজবন্দির মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিশেষ বিচারালয় অভিমুখে লক্ষাধিক কৃষক, শ্রমিক মেহনতি মানুষকে নিয়ে তিনি পদযাত্রা শুরু করবেন।

১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া), ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন) এবং এনএসএফ (দোলন)-এর সমন্বয়ে ছাত্র ‘সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়। উক্ত সভায় আওয়ামী লীগের ছয় দফাকে মূল ভিত্তি করে ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সামরিক স্বৈরশাসকের গণগ্রেফতার, নির্যাতন, নিপীড়নের প্রতিবাদে শেখ মুজিব ও অন্যান্য রাজবন্দির মুক্তি এবং আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত আন্দোলন উত্তাল হয়ে ওঠে। পুলিশের গুলিতে ২০ জানুয়ারি আসাদ, ২৪ জানুয়ারি কিশোর মতিউরসহ চার জন নির্মমভাবে নিহন হন। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক, ১৮ ফেব্রুয়ারি ড. সামসুজ্জোহা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ঢাকাসহ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানব্যাপী আন্দোলন আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে লক্ষাধিক শ্রমিক, ছাত্র, জনতা মশাল মিছিল নিয়ে রাজপথে বেরিয়ে আসে। ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহর মিছিলের নগরে পরিণত হয়।

১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং শেখ মুজিবসহ ২৮ জন রাজবন্দিকে সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হয়। ছয় দফা আন্দোলনই স্বাধীনতাযুদ্ধের মূল টার্নিং পয়েন্ট বলে বিবেচিত হয়। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্সের ঐতিহাসিক ছাত্রজনতা মহাসমাবেশে শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

গণ-অভ্যুত্থানের ফলশ্রুতি হিসেবে ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ১৬২ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬০ আসন পায়। পশ্চিম পাকিস্তানে ১৩৮ আসনের মধ্যে পিপিপি ৮১টি আসন পায়। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পার্টির (গণপরিষদের) সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তান পার্লামেন্টের মেজরিটি পার্টির লিডার ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে ডেপুটি লিডার নির্বাচিত করা হয়। ১৭ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮ আসন পায়। মোট আসনের ৯৬ শতাংশ, যা বিশ্বের ইতিহাসে অসাধারণ বিজয় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। প্রাদেশিক পার্লামেন্টারি পার্টির সভায় এম মুনসুর আলীকে লিডার নির্বাচিত করা হয়। ’৭০-এর নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী এবং এম মনসুর আলী পূর্ব পাকিস্তানের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী।

প্রখ্যাত সাংবাদিক রবার্ট পেইন তার ‘ম্যাসাকার’ বইতে লেখেন, ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জুলফিকার আলী ভুট্টো তার লারকানা হাউজে পাখি শিকারের নামে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান, আর্মি চিফ অব স্টাফ আবদুল হামিদ খান, জেনারেল পিরজাদা (পিএসও টু প্রেসিডেন্ট), জেনারেল গোলাম ওমরসহ সেনাবাহিনীর কয়েক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরে জানা যায়, উক্ত বৈঠকেই অপারেশন সার্চলাইটের মূল পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। ঢাকায় ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ সংসদ অধিবেশনে যোগদানের নিমিত্তে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের মধ্যে ন্যাপ নেতা খান আব্দুল ওয়ালী খান, গাউস বক্স বেজেনজো, প্রভাবশালী পিপি নেতা আহমেদ রাজা কাসুরীসহ মোট ২৮ জন গণপরিষদ সদস্য ঢাকায় আসেন। তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ভাইস অ্যাডমিরাল আহসান এবং পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল ইয়াকুব খান উভয়ই অধিবেশন স্থগিতের বিপক্ষে ছিলেন। তারা ইয়াহিয়া খানকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, অধিবেশন পেছালে বাঙালির মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু ইয়াহিয়া খান তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

১ মার্চ ইয়াহিয়া খান দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রেডিওতে এক ঘোষণায় সংসদ অধিবেশন (গণপরিষদ) স্থগিত ঘোষণা করেন। তখন ঢাকা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা চলছিল। খেলা বন্ধ হয়ে যায়। হাজার হাজার দর্শক রাস্তায় নেমে আসে। তখন হোটেল পূর্বাণীতে গণপরিষদের সভা চলছিল। খবর শোনার পর শেখ মুজিব ২ মার্চ ঢাকায়, ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, ৭ মার্চের রেসকোর্সের জনসভায় আমার সিদ্ধান্ত জানাব। ৩ মার্চ ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আহূত পল্টনের মহাসমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের উপস্থিতিতে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়। উক্ত জনসভায় মুজিব ৪ থেকে ৬ মার্চ দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতালের ডাক দেন। বঙ্গবন্ধু অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের আহ্বান জানান এবং জনগণের প্রতি খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

৭ মার্চ লক্ষ লক্ষ কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, কামার-কুমার, তাঁতি, ছাত্র, জনতার পদভাড়ে রেসকোর্স ময়দান প্রকম্পিত হয়। বিকেল ৩টার মধ্যে তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। পড়ন্ত বিকেল, প্রায় ১০ লাখ জনতার উপস্থিতিতে বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলনের মহানায়ক দৃঢ় পায়ে মঞ্চে উঠলেন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ কবিতাখানা পাঠ করলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনিক ব্যবস্থা মূলত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই পরিচালিত হয়। উক্ত ভাষণের পর ঢাকা তথা সমগ্র প্রদেশ জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরিতে রূপান্তরিত হয়। ঐতিহাসিক ভাষণের সময়কাল ছিল মাত্র ১৮ মিনিট। এ সময় পাকিস্তান এয়ারফোর্সের হেলিকপ্টার রেসকোর্সের আকাশে টহল দিচ্ছিল। খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক নিউজ ম্যাগাজিন নিউজউইক ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যার প্রচ্ছদ স্টোরিতে বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে অভিহিত করেছিল। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অর্গানাইজেশনে (ইউনেস্কো) বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্ট হেরিটেজের অংশ বলে ঘোষণা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথা বিলুপ্তির মহানায়ক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বরের ‘গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস’ এবং আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের মহান নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্টের ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ ভাষণটির কথা বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ঢাকায় আসেন। ঢাকায় পাকিস্তানের পার্লামেন্টের মেজরিটি পার্টির লিডার ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর রাতের অন্ধকারে গোপনে ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ ঢাকা ত্যাগ করেন। জুলফিকার আলী ভুট্টো ঐ রাতে ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অবস্থান করছিলেন। ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে জেনারেল টিক্কা খানের তত্ত্বাবধানে ও জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয়। মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজার নেতৃত্বে একই সময়ে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, খুলনা, রংপুরসহ ১০টি শহরে অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয়, যা ছিল ইতিহাসের বর্বরোচিত গণহত্যা। অতঃপর রাত ১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে তার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারকৃত অবস্থায় ঢাকা থেকে করাচি এবং করাচি থেকে লয়ালপুর জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। লয়ালপুর মার্শাল ‘ল’ কোর্টে মুজিবের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়। তার বিরুদ্ধে ১২টি চার্জ আনা হয়। অতঃপর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মিয়ানওয়ালি জেলে স্থানান্তর করা হয়।

তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কেন্ট ব্লাড ২৭ মার্চ ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টে একটি টেলিগ্রাম পাঠান, যার শিরোনাম ছিল ‘সিলেক্টিভ জেনোসাইড’। ৬ এপ্রিল দ্বিতীয় টেলিগ্রাম পাঠানো হয়, তার শিরোনাম ছিল ‘ব্লাড’। উক্ত দ্বিতীয় টেলিগ্রামে মার্কিন দূতাবাসের আর্চার কেন্ট ব্লাডসহ ২০ জন কর্মকর্তা স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, ২৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত যে নৃশংস গণহত্যা চালানো হয়, যেখানে নৈতিকতা, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভুলণ্ঠিত ও পদদলিত করা হয়, যা প্রেসিডেন্ট নিক্সন ও কিসিঞ্জার শাসিত মার্কিন সরকার বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি গণহত্যা বন্ধ করতে পদক্ষেপ নেয়নি বা গণহত্যার নিন্দা করতে অক্ষমতা প্রকাশ পায়। এভাবেই সব ঘটনার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল আমির আবদুল্লা খান নিয়াজির নেতৃত্বে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য অস্ত্রশস্ত্রসহ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপপ্রধান এ কে খন্দকার এর কাছে বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। এই দলিলের শিরোনাম ছিল ‘ইনস্ট্রুমেন্ট অব স্যারেন্ডার’, যা ‘ফল অব ঢাকা’ নামে পরিচিতি পায়।

লেখকঃ চেয়ারম্যান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সভাপতি, ওয়ান বাংলাদেশ।

সৌজন্যেঃ দৈনিক ইত্তেফাক

প্রকাশনা-বাংলাদেশ  আওয়ামী লীগ

News Link

You may also like...